‘কঠিন সিদ্ধান্ত’ মাহমুদউল্লাহকে আর বোলিং না দেওয়া
ডিটেকটিভ স্পোর্টস ডেস্ক
প্রথম ইনিংসের সময়ই প্রশ্নটি উঠতে শুরু করেছে। বাংলাদেশ হারার পর আরও উচ্চকিত সেই প্রশ্ন। ১ ওভারে ১ রানে ২ উইকেট নেওয়ার পরও আর কেন বোলিং পেলেন না মাহমুদউল্লাহ? সাকিব আল হাসান জানালেন, অধিনায়কের জন্য সিদ্ধান্তটি সবসময় কঠিন।
প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের কাছে ৪৫ রানে হেরেছে বাংলাদেশ। আফগানদের করা ১৬৭ রানের কাছাকাছিও যেতে পারেনি সাকিবরা। তবে মন্থর উইকেটে ওই স্কোর গড়ার পরই আসলে আফগানরা অনেকটা এগিয়ে যায় ম্যাচে।
যে স্কোরে বড় ভূমিকা বাংলাদেশের স্লগ ওভারের বোলিংয়ের। শেষ ৫ ওভারে বাজে বোলিংয়ে ৭১ রান গুনেছে বাংলাদেশ। মাহমুদউল্লাহর বোলিংয়ের প্রশ্ন আসছে সেখানেই।
আফগানদের ৬১ রানের উদ্বোধনী জুটির পর দারুণ ভাবে ম্যাচে ফিরেছিল বাংলাদেশ। রুবেল হোসেন উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর আরেক ওপেনারকে ফেরান সাকিব।
পরে বোলিংয়ে এসে এক ওভারেই দুটি উইকেট নেন মাহমুদউল্লাহ। তার আগে নিজের প্রথম ওভারে মোসাদ্দেক হোসেন দেন মাত্র ৩ রান। কিন্তু বিস্ময়কর ভাবে দুজনের কাউকেই আর বোলিংয়ে আনেননি অধিনায়ক। শেষ দিকে ভরসা রাখলেন পেসারদের ওপর। কিন্তু আবুল হাসান, আবু জায়েদ ও রুবেল হোসেনের বাজে বোলিংয়ে শেষ ৩ ওভারে এলো ৫২ রান!
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণীতে উঠল এই প্রশ্ন। বোলিং পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্নগুলো কখনোই খুব একটা পছন্দ করেন না সাকিব। এদিনও তার ঠোঁটে ফুটে উঠল বাঁকা হাসি।
“এটা সবসময়ই কঠিন সিদ্ধান্ত। কখনও কখনও প্রশ্ন ওঠে, ‘কেন ওকে বোলিং দিলাম না।’ আবার বোলিং দেওয়ার পর যদি ওভারে তিন ছক্কা হজম করত, তাহলে প্রশ্ন উঠত, ‘মূল বোলাররা অপেক্ষায় থাকার পরও কেন ওকে বোলিং দিলাম।”
“সত্যি বলতে, এসব ক্রিকেটে হয়ই। আমাদের অনেক দিকেই খেয়াল দিতে হবে। সেটা করার চেষ্টা করব আমরা।”